KALIGONJ EXPRESS


গাজীপুরের কালীগঞ্জে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় এক স্কুল শিক্ষককে পিটিয়েছে বখাটেরা। আহত ওই শিক্ষককে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা প্রায় তিন ঘন্টা কালীগঞ্জ-কাপাসিয়া সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করে। আহতের নাম জায়েদ মোল্লা। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার বক্তারপুর মডেল হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক। শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসি জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বক্তারপুর মডেল হাই স্কুলের ছাত্রীদের উত্যাক্ত করে আসছিল স্থানীয় আলামিন মোড়ল, সাইফুল ইসলাম দর্জি, নাহিদ দর্জি, মুন্না ভুইয়া, বিপুল, শামীমসহ কয়েক বখাটে যুবক। ওই স্কুলের শিক্ষকরা এর প্রতিবাদ করলে যুবকরা শিক্ষকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়। এর জের ধরে বুধবার দিবাগত রাতে প্রধান শিক্ষকের বাড়ি যাওয়ার পথে স্কুলের সহকারী শিক্ষক জায়েদ মোল্লাকে বক্তারপুর উত্তরপাড়া কালভার্ট এলাকায় বেধড়ক পেটায় ওই বখাটেরা। আহত শিক্ষকের চিৎকারে এলাকাবাসি এগিয়ে এলে যুবকরা শিক্ষককে হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আহত শিক্ষককে স্থানীয় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এঘটনার প্রতিবাদে স্কুলের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ-কাপাসিয়া সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন করে। এসময় তারা বখাটেদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবী জানায়। পরে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শর্মিলী দাস মিলি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বখাটেদের গ্রেফতারের আশ্বস্ত করলে প্রায় তিন ঘন্টা পর সড়কের অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা। এ ব্যাপারে শর্মিলী দাস মিলি জানান, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান পলাশ বাদী হয়ে ওই ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কালীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসি ও প্রশাসনের যৌথ সহযোগিতায় ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।


মুখে দুর্গন্ধ দূর করুন মাত্র ৭টি উপায়ে

মুখে বা নিশ্বাসের দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস (Halitosis) একটি বিব্রতকর সমস্যা। এ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য কী কী করতে হবে, জেনে নিন:
eliminate-halitosis
১. বাজারে অনেক ধরনের মাউথ ওয়াশ পাওয়া যায়। তবে অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা মুখগহ্বরকে শুষ্ক করে তোলে এবং এতে ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্মায়। বরং প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ হালকা গরম লবণ মেশানো পানি দিয়ে কুলিকুচি করতে পারেন।
২. সজীব নিশ্বাসের জন্য দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশে যোগ করা যেতে পারে কয়েক ফোঁটা চা পাতার তেল অথবা পুদিনার তেল।
৩. যাঁরা মুখের দুর্গন্ধে ভুগছেন, প্রতিবার খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলকুচি করুন। তাহলে মুখের ভেতরে জমে থাকা খাবারের কণাগুলো বেরিয়ে যাবে।
৪. বেশির ভাগ মানুষ শুধু তাঁদের দাঁত পরিষ্কার করেন, কিন্তু জিব পরিষ্কার করেন না। কিন্তু সেটাও জরুরি।
৫. যাঁদের মুখগহ্বর বেশি শুষ্ক, তাঁরা মুখের দুর্গন্ধের সমস্যায় বেশি ভোগেন। এ ক্ষেত্রে অল্প অল্প করে বারবার প্রচুর পানি পান করতে হবে।
৬. ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহলও মুখের শুষ্কতার জন্য দায়ী।
৭. নিকোটিন হচ্ছে সবচেয়ে বড় শত্রু। এটি দাঁত ও জিহ্বাতে জমে যায়। ধূমপান মুখের ভেতরটাকে বেশি শুষ্ক করে তোলে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লালাও তৈরি হতে পারে না।

ডাটা এন্ট্রি কাজ করে স্টুডেন্টরা যেভাবে আয় করবে
পড়াশোনার ফাঁকে যদি টাকা ইনকাম করা যায় তাহলে মন্দ হয়কি? কেননা পড়াশোনা চালানোর জন্য অনেক টাকা খরচ করতে হয়। পড়াশোনার চালানোর জন্য অনেকেই পার্ট টাইম কাজ খোঁজেন, যেমন টিউশনি করা, হকারগিরি করা, রিক্সা চালানো, পেপার বিক্রি ইত্যাদি ইত্যাদি। তো এখানে একটি কাজের সন্ধান দিতে পারি সেটা হল ব্লগিং করা কিংবা ডাটা এন্ট্রি করা। ব্লগিং করতে হলে একটু সময় বেশি দেওয়ার প্রয়োজন পরে কিন্তু ডাটা এন্ট্রি করতে গেলে প্রথম দিন থেকেই টাকা পাওয়া যায়। ডাটা এন্ট্রি কাজ করলে আঁখেরে আপনারই লাভ কেননা ভবিষৎতে ডাটা এন্ট্রি কাজে আপনার বেশ সুবিধা হবে।

ডাটা এন্ট্রি কী:

ডাটা এন্ট্রি (Data entry) বলতে এক কথায় টাইপিং জব। ডাটা এন্ট্রি ৩ প্রকার : যথা -
  • ১) অডিও শুনে টাইপিং,
  • ২) কোন কিছু কপি পেস্ট করা,
  • ৩) ইমেজ দেখে ক্যাপচা টাইপ করা।
এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ কাজ হল ইমেজ দেখে ক্যাপচা টাইপ করা। একটি ইমেজের মধ্যে প্যাচানো বা আঁকা বাঁকা বর্ণ থাকবে তা দেখে আপনাকে টাইট করতে হবে। এভাবে একের পর এক ইমেজ টাইট করে সাবমিট করতে হবে। একেই মূলত ক্যাপচা এন্টি বলা হয়। আপনার হাতে গতি যদি মোটামুটি ভালো মানের হয় তাহলে এখান অনলাইনে ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ করে মাসে ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা অনায়াসে আয় করতে পারবেন। আপনাকে ১০০০ ক্যাপচা এন্টির টাইপ করার জন্য ১ ডলার দেওয়া হবে। আপনি ইচ্ছ করলে দিনে ২ থেকে ৩ ডলার আয় করতে পারবেন। আপনি ইচ্ছ করলে প্রতিমিনিটে কমপকক্ষে ৫টি ক্যাপচা পূরন করতে পারবেন। এভাবে আপনি ১ ঘন্টায় প্রায় ৩০০ ক্যাপচা পূরন করতে পারবেন। আর ১ ডলার হলেই আপনার পেইজা কিংবা পেপল একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন। ক্যাপচা এন্ট্রির সাইটে কাজ করলেই আপনি নিশ্চিত টাকা তুলতে পারবেন।
কীভাবে কাজ করবেন :
ক্যাপচা এন্টির সাইটে কাজ করতে হলে আপনাকে তাদের  সাইটে জয়েন করতে হবে। আপনার নাম, ঠিকানা, ইমেল, টাকা তুলার ইমেল, পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট খোলে কাজ করতে হবে। প্রতিটি কাজ শেষ করার পর আপনার একাউন্টে টাকা দেখতে পাবেন।
অসুবিধা কি কি:
  1. > একাধিক একাউন্ট খোলা যাবে না।
  2. > একটি মাত্র আইপি এড্রেস ব্যবহার করতে হবে।
  3. > জিমেল একাউন্ট ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ ও ফ্রেজিবল।
  4. > একসাথে ২টি উইনডোতে বা ট্যাবে কাজ যাবে না।
  5. >  ক্যাপচা এন্ট্রি টাইট করার সময় বেশি ভূল করলে সাময়িক সময়ে জন্য আপনার একাউন্ট অফ করে রাখা হয়। কত সময়ের জন্য আপনাকে একাউন্ট অফ করে রাখা হয়েছে নোটিশ আসলে পড়ে নিন। একাউন্ট সাধারণত দুই চার ঘন্টার বেশি অফ করে রাখা হয় না। এটি মূলত আপনাকে রেস্ট দিচ্ছে।
ক্যাপচা এন্ট্রির কাজ কোখায় করবেন :
ক্যাপচা  এন্ট্রি কাজ করার জন্য নিচের সাইটে জয়েন করে কাজ শুরু করে দিন।
কীভাবে টাকা তুলবেন :
অনলাইনে কাজ করে টাকা তুলার একটি অন্যতম মাধ্যম হল পেইজা। কারণ পেইজা বাংলাদেশে সাপোর্ট করে। আপনি অনলাইনে যত সাইট থেকে টাকা আয় করবেন সেইসব সাইট খেকে পেইজার ইমেলের মাধ্যমে পেইজা একাউন্টে টাকা এসে জমা হবে। অর্থ্যা যে ইমেল দিয়ে আপনি পেইজা একাউন্ট খোলছিলেন সে ইমেল দিয়ে যে সাইটে কাজ করবেন সেই সাইট থেকে টাকা তুলতে পারবেন। তারপর পেইজা একাউন্টে টাকা জমা হলে সেই টাকা দেশে নিয়ে আসতে পারবেন।
প্রথম প্রকাশ- আগমনী বার্তা

আসতেছে নতুন প্রযুক্তি Every light bulb ওয়াইফাই থেকেও ১’শ গুন বেশি শক্তি নিয়ে

ওয়াইফাইকে পেছনে ফেলতে নতুন করে আসছে আলো বা লাইট নির্ভর মাধ্যম লাইফাই। ‘লাইফাই’ শব্দটি প্রথম প্রযুক্তি পরিবারে নিয়ে আসেন এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হারাল্ড হাস। কল্পনাকে হার মানিয়ে এলইডি লাইটের মাধ্যমে কাজ করা লাইফাই এনে দেবে দ্রুত গতির ইন্টারনেট সুবিধা। বিশেষ করে বাড়ি কিংবা অফিসের মতো জায়গায় ওয়াইফাইয়ের চমৎকার বিকল্প হিসেবে কাজ করবে এই মাধ্যম। লাইফাই ইন্টারনেট সংযোগের মূল কাজটি করবে লাইট। ভালো মানের একটি এলইডি বাল্বই এমন সংযোগ স্থাপনের জন্য যথেষ্ট। সঙ্গে লাগবে ইন্টারনেট সংযোগ ও একটি ফটো ডিটেক্টর। আলোক প্রক্ষেপণের মাধ্যমে প্রচলিত ওয়াই-ফাইয়ের চেয়ে ১’শ গুণ বেশি গতিতে কাজ করবে লাইফাই। প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ১ গিগাবাইট পর্যন্ত গতি এনে দিতে পারবে লাইফাই।

জিপিএ-৫ মান বিতর্ক এবং-----

একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত একটা প্রতিবেদন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে চলছে ভীষণ হইচই। ওই প্রতিবেদনে এবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কয়েকজন ছেলেমেয়েকে কিছু প্রশ্ন করা হয়। শিক্ষার্থীরা সেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি। কখনো বা ভুল উত্তর দিয়েছে। পিথাগোরাস কে ছিলেন, তা তারা বলতে পারেনি। একজন বলেছে, পিথাগোরাস ছিলেন ঔপন্যাসিক। নিউটনের সূত্র কী, তারা কেউই বলতে পারেনি। জাতীয় সংগীতের রচয়িতা কে, এর উত্তরে একজন বলেছে, ‘কাজী নজরুল ইসলাম।’ বাকিরা পারেনি। স্বাধীনতা দিবস বলেছে ‘১৬ ডিসেম্বর’, বিজয় দিবস ‘২৬ ডিসেম্বর।’ বেশ সোজা প্রশ্ন, বেশ বিব্রতকর উত্তর।
এই প্রতিবেদন দেখে প্রথমত একটা ধাক্কা লাগে। খানিকক্ষণ স্তব্ধ হয়ে থাকতে হয়। সংবিৎ ফিরে পেলে খ্যাতনামা সাংবাদিক জ. ই. মামুনের মতো প্রতিক্রিয়াও হতে পারে। মামুন ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন, এটা ভালো সাংবাদিকতার উদাহরণ নয়; বরং এটা খারাপ সাংবাদিকতার লক্ষণ। আমার নিজেরও যা প্রতিক্রিয়া হয়েছিল, তা অনেকটা এ রকম: এই ছেলেমেয়ের পরিচয় টেলিভিশনে উন্মোচন করা ঠিক হয়নি। হঠাৎ করে টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে আমরা অনেকেই জানা প্রশ্নের উত্তরও ভুলে যাই। মাথা একেবারে ফাঁকা ফাঁকা লাগে। দুই. সাধারণ জ্ঞান আদৌ কোনো জ্ঞানের প্রমাণ নয়; যা গুগল মুখস্থ করে রাখে, তা মনে রাখার কোনো মানে হয় না। আমি অনেক অসাধারণ সাধারণ জ্ঞানীকে জানি, যাঁরা বলে দিতে পারেন, বাংলা সাহিত্যের ‘ভোরের পাখি’ হলেন বিহারীলাল, কিন্তু এঁদের কেউ কোনো দিনও বিহারীলালের কবিতা এক লাইনও পড়ে দেখেননি। ৩ নম্বর যে প্রশ্নটা উঠে এসেছে তা হলো, লক্ষাধিক জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্রছাত্রীর মধ্যে গোটা দশেক বেছে নিয়ে তাদের হঠাৎ হঠাৎ প্রশ্ন করে তার উত্তর না পাওয়াটাই জরিপ হিসেবে নির্ভরযোগ্য কি না। অর্থাৎ এই জরিপের স্যাম্পল সাইজ, স্যাম্পল বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া এবং প্রশ্ন করার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এবং বলা হচ্ছে, একটা অযথাযথ প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমাদের জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা অকারণ অবমাননার শিকার হচ্ছে কি না।
এসব প্রশ্ন মাথায় রেখেও আমরা বলতে পারব, আমাদের শিক্ষার মান পড়ে গেছে। যা বেড়েছে তা পরিমাণগত। কিন্তু গুণগত উৎকর্ষের মাপকাঠিতে আমাদের শিক্ষার মান বেশ খারাপ। তার মানে কিন্তু এই নয়, আগে যতজন মেধাবী ভালো ছাত্র আমরা পেতাম, ততজন এখন আর নেই! তার মানে এই নয়, এই শিক্ষাকাঠামোর ভেতর দিয়ে বেরিয়ে আসা মানুষের মধ্য থেকে আমরা আর এফ আর খানের মতো প্রকৌশলী, আনিসুজ্জামানের মতো অধ্যাপক, এম আর খানের মতো চিকিৎসক আর পাব না! শিক্ষা একটা আশ্চর্য পরশমণি, যা কাঠ বা কয়লাকেও সোনা বানাতে পারে। এই লাখ লাখ ছেলেমেয়ের মধ্য থেকে অনেকেই চূড়া ছুঁতে পারবে। অনেক বড় হিমালয় রেঞ্জ আছে বলেই আমরা এভারেস্ট নামের উচ্চতম চূড়াটা পাই, আমাদের লাখ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে অবশ্যই আমরা অনেক মানুষ পাব, যারা বিশ্বদরবারে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করবে। আমি ড. দীপঙ্কর তালুকদারের উদাহরণ বারবার দেব। তিনি পড়াশোনা শুরু করেছিলেন বরগুনার পাঠশালায়, তারপর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরগুনা জিলা স্কুল, বরগুনা সরকারি কলেজ। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সেখান থেকে ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি, আর জার্মানির আইনস্টাইন ইনস্টিটিউট। তিনি আমেরিকার সেই বিজ্ঞানী দলের একজন, যাঁরা অভিকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত করতে পেরেছেন। যখন তিনি পড়তেন বরগুনার পাঠশালায়, যখন তাঁদের বাড়িতে খাবার ছিল না বলে তাঁর বড় ভাই স্কুল ছেড়ে রাস্তার ধারে বসে চাল-গম বিক্রি করছিলেন, তখন কে বলতে পারত, এই বালক একদিন যাবে আইনস্টাইন ইনস্টিটিউটে!
কিন্তু তাই বলে প্রাথমিক বিদ্যালয় শেষ করে একজন শিক্ষার্থী সংবাদপত্র পাঠ করতে পারবে না, সাধারণ যোগ-বিয়োগ করতে পারবে না, নিজে থেকে এক পৃষ্ঠা লিখতে পারবে না, এটা হয় না। তেমনি বিজ্ঞানে মাধ্যমিক পাস করে একজন ছাত্র যদি বলতে না পারে নিউটনের তিনটা সূত্র কী, সেসব আসলে কী বোঝায়, তাহলে তো মাথায় হাত দেওয়া ছাড়া আর কিছু করার থাকে না। আমরা কি আমাদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ফেললাম? যেমন সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি। নিশ্চয়ই আমাদের বিশেষজ্ঞরা বুঝে-শুনে, বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে, ব্যাপক যাচাই-বাছাই করেই এই পদ্ধতি প্রবর্তন করেছিলেন। এই পদ্ধতি কি পরীক্ষামূলকভাবে কোথাও চালু করে দেখা হয়েছিল তার ফল কী হয়? নাকি একবারে শিক্ষার্থীদের ওপরই প্রয়োগ করে দেখা হয়েছে? যা-ই হোক না কেন, এই সুন্দর প্রবর্তনটিকে বাংলাদেশের কোচিং সেন্টার, প্রাইভেট টিউটর এবং নোটবই, গাইডবইওয়ালারা মিলে ব্যবসা করার এক অব্যর্থ পদ্ধতিতে পরিণত করতে পেরেছে।
সৃজনশীল পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল যাতে ছাত্রছাত্রীদের অকারণে মুখস্থ করতে না হয়। তারা জিনিসটা বুঝবে। প্রশ্ন তেমনিভাবে করা হবে, যাতে ছেলেমেয়েরা বুঝল কি না, তা যাচাই করা যায়। কিন্তু এটাকে আমরা এক বিভীষিকা বানিয়ে ফেলেছি। বহু শিক্ষক ছাত্রছাত্রীদের হুমকি দিলেন, আমার কাছে পড়তে না এলে তোরা জানবি না যে পরীক্ষায় কী আসবে। শুধু তা-ই নয়, তিনি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরও তৈরি করে দেন, আর তিনি যা লিখে দিয়েছেন, তা না লিখে শিক্ষার্থীরা যদি নিজের মতো করে অন্য কিছু লেখে, তিনি তাকে আর নম্বর দিতে চান না। গাইডবইগুলোও তা-ই করল। সৃজনশীল প্রশ্নের নমুনা আর তার উত্তর ছাপাতে লাগল। এবং বিস্ময়কর ব্যাপার যে সেসব প্রশ্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে কমনও পড়তে লাগল। কোচিং সেন্টারগুলোর পোয়াবারো। কী করে পরীক্ষা নামের বৈতরণি পার হওয়া যাবে, তার উপযুক্ত বটিকা তৈরি করে তা ছাত্রছাত্রীদের খাইয়ে তারা নিজেরা ফুলেফেঁপে উঠতে লাগল। অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের একটা উক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে। তিনি বলেছেন, সৃজনশীল পদ্ধতি কী, তা বহু শিক্ষক নিজেরাই জানেন না। এ কথাও সত্যি।
এ অবস্থায় গোদের ওপর বিষফোড়ার মতো দেখা দিল আরেক মহামারি। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়া। ছাত্রছাত্রীরা প্রশ্ন পেয়ে পরীক্ষার আগের দিন সংবাদপত্র অফিসে এবং ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে পাঠিয়ে দিল। পরের দিন তা মিলে গেলেও কর্তৃপক্ষ স্বীকার করল না যে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। আমরা তখনই বলেছিলাম, এরপরে আর বাচ্চারা পড়বে কেন। তারা প্রশ্নপত্রের জন্য অপেক্ষা করবে। শুধু কি পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র? মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছিল। এসব নিয়ে অভিযান, গ্রেপ্তার ইত্যাদি ঘটনাও ঘটেছে।
আমাদের স্বীকার করে নিতে হবে যে, শিক্ষার মান পড়ে গেছে এবং অবস্থা ভয়াবহ। আমরা খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছি কিংবা খাদে পড়েই গেছি। এ জন্য আমরা কিছুতেই শিক্ষার্থীদের দায়ী করছি না। তারা অসহায় শিকার মাত্র। এ আমার পাপ, এ তোমার পাপ! আমরা, সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা কিংবা সমাজকর্মীরা কোনো দিন কি কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেছি, গিয়ে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেছি, সেখানে কী হচ্ছে! শিক্ষকেরা এসেছেন কি না, এলে তাঁরা কী পড়াচ্ছেন, আর বাচ্চারাই বা কী শিখছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে তুলকালাম হয়েছে। আমরা শুনেছি, শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। আমরা শুনেছি, লাখ লাখ টাকা খরচা করে কেউ কেউ শিক্ষক হয়েছেন। এগুলো অনেক নেতা-পাতিনেতার আয়ের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা কোনো দিনও ঘটনা তদন্ত করে দেখিনি। যাঁরা হবেন মানুষ গড়ার কারিগর, তাঁরা যদি ঘুষ দিয়ে নিয়োগ পান, তাঁরা কী শেখাবেন? তাঁদের নিজেদেরই বা জানাশোনা-বোঝার পরিধিটা কতটুকুন?
দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দলবাজি নিয়ে এ দেশে এখন আর কেউ কথা বলে না। এটাকে আমরা এখন খুবই স্বাভাবিক নিয়ম বলে ধরে নিয়েছি। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের সময় অনেক ক্ষেত্রে প্রধান বিবেচনা থাকে তিনি আমার দলের লোক কি না। শিক্ষক নিয়োগের সময়ও নিশ্চয়ই এটা অনেক জায়গায় মান্য করা হয়। প্রাথমিক থেকে বিশ্ব—সব বিদ্যালয়ের একটা দিক আছে—ভয়াবহ অন্ধকার। নিশ্চয়ই অনেক আলোকিত দিকও আছে।
অন্ধকারে একটা আলোর কথা আমি বলতে পারব। প্রথম আলোর ভাষা প্রতিযোগ, গণিত অলিম্পিয়াডে যে বাচ্চারা আসে, তারা তো পরীক্ষায় ভালো করে। সেখানে তো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় না, কেউ কারওটা দেখেও লেখে না। আর শিক্ষার্থীরা যে ধরনের প্রশ্ন করে, তাতে তাদের মেধার উৎকর্ষ দেখে সবাই বিস্মিত হয়ে যান। আমি এক ১২-১৩ বছরের কিশোরকে দেখেছিলাম, সে এসেছিল একটা মাদ্রাসা থেকে, বাংলা সাহিত্য ও ভাষা নিয়ে তার যে আগ্রহ, এবং তার যে জানাশোনার পরিধি, তা আমাদের মুগ্ধ করেছিল।
গণিত অলিম্পিয়াডে যোগ দিতে এসেছিলেন একজন, কুষ্টিয়া থেকে। কুষ্টিয়াতেই তিনি শেষ করেছিলেন স্কুল ও কলেজ। গণিত অলিম্পিয়াডে ভালো করায় বাংলা মাধ্যমের সেই শিক্ষার্থী সরাসরি ভর্তি হলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে, উচ্চমাধ্যমিকের পরই। সম্প্রতি তিনি গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেছেন। তাঁরা কয়েকজন বন্ধু মিলে একটা কোম্পানি দিয়েছেন, ছাত্রাবস্থাতেই, বিল গেটস কিংবা জাকারবার্গের মতোই এবং সান ফ্রান্সিসকোতে তাঁদের কোম্পানি। তাঁরা স্টার্টআপ কোম্পানি দিয়েছেন চলচ্চিত্র বিষয়ে। এটা তথ্যপ্রযুক্তি, অর্থনীতি মিলেমিশে করা একটা ব্যাপার। সেই ছেলেটির নাম তারিক আদনান মুন। তাঁর সাফল্যের গল্প রূপকথাকেও হার মানাবে। তিনিও কিন্তু জিপিএ-৫ পাওয়া। গণিত অলিম্পিয়াডের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান আমাকে বলেছেন, তাঁদের পরীক্ষায় ছেলেমেয়েরা আগের চেয়ে ভালো করে এবং ভালো করা ছেলেমেয়েদের সংখ্যাও অনেক বেড়েছে।
কাজেই বেশি হতাশ হব না। কিন্তু তাই বলে শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর দাবিও ছাড়ছি না। এবং আমরা চাইব, শিক্ষার প্রতিটি স্তরে যাচাই-বাছাই করে দেখা হোক, আমরা কোথায় কোথায় ভুল করেছি, করছি। বোধ হয় খোলনলচে পাল্টানোর সময় হয়েছে। তা করতে হলে বালুতে মুখ গুঁজে থেকে সমস্যা অস্বীকার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

কাল থেকে সিম নিবন্ধনে লাগবে ১৫০-২০০ টাকা

আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) পদ্ধতিতে সিম পুনর্নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হচ্ছে আজ রাত ১২টায়। এ সময়ের মধ্যে যেসব সিম নিবন্ধিত হবে না, সেগুলো কাল থেকে বন্ধ হয়ে যাবে। আর বন্ধ হয়ে যাওয়া এসব সিম আবার চালু করতে চাইলে এখন থেকে একজন গ্রাহককে গুনতে হবে ১৫০-২০০ টাকা।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ে সিম নিবন্ধন না করার জরিমানা হিসেবে ব্যবহারকারীদের বাড়তি এ অর্থ দিতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে আগের কঠোর অবস্থান কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। এত দিন বিটিআরসির সিদ্ধান্ত ছিল, আগামীকাল থেকে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিমগুলো আগামী দুই মাস পর্যন্ত জব্দ (ফ্রিজ) অবস্থায় থাকবে। অর্থাৎ যে ব্যবহারকারী এত দিন সিমটি ব্যবহার করে এসেছেন, তিনি আগামী দুই মাস পর্যন্ত সেটি নিবন্ধনের মাধ্যমে চালু করার সুযোগ পাবেন না। দুই মাস সময় পার হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়মে অর্থাৎ ১৫০-২০০ টাকা খরচ করে সিমটি আবার চালু করা যাবে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।



নটর ডেম কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ (EIIN-108274)

১৯ শে মে, ২০১৬ ভোর ৪:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে : 
[মূল বিজ্ঞপ্তির উল্লেখযোগ্য অংশবিশেষ দেয়া হল। পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি ২৪ মে, ২০১৬ তারিখে দৈনিক সমকাল পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে।]
.
★★★ নটর ডেম কলেজে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা ★★★
.
ন্যূনতম যোগ্যতার ভিত্তিতে ২০১৬ সালে SSC পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যেকোন ছাত্র (কেবল পুরুষ) ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
.
■■ স্ব স্ব Study Group এর জন্য যোগ্যতা:
◆ SCIENCE (বাংলা মাধ্যম): চতুর্থ বিষয়সহ GPA ৫.০০ (SSC তে উচ্চতর গণিত থাকা আবশ্যক)।
◆ SCIENCE (English Medium): চতুর্থ বিষয়সহ GPA ৫.০০ (বাংলা মাধ্যমের ছাত্ররাও আবেদন করতে পারবে)।
◆ BUSINESS STUDIES: চতুর্থ বিষয়সহ GPA ৪.০০ (***DIBS শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে)।
◆ HUMANITIES: চতুর্থ বিষয়সহ GPA ৩.২৫ (***মাদ্রাসার সাধারণ বিভাগের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে)।
■■ Study Group পরিবর্তনের জন্য যোগ্যতা:
◆ HUMANITIES: চতুর্থ বিষয়সহ GPA ৩.২৫ (SCIENCE এবং BUSINESS STUDIES থেকে).
◆ BUSINESS STUDIES: চতুর্থ বিষয়সহ GPA ৪.৫০ (শুধুমাত্র SCIENCE)।
.
●●● Study Group পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসন সংখ্যা:-
● BUSINESS STUDIES: ১৭০ টি আসন।
● HUMANITIES: ৫০ টি আসন।

■■ আবেদন পত্র সংগ্রহ:
◆ প্রয়োজন হবে-
১) SSC Registration Card এর সত্যায়িত ফটোকপি- ১ টি।
২) SSC Mark Sheet (Board) এর সত্যায়িত ফটোকপি- ১ টি।
৩) সাম্প্রতিক রঙ্গীন সত্যায়িত ছবি (PP, ৫০০×৫০০)- ২ টি।
◆ মূল্য: ১৫০৳।
◆ তারিখ: নির্ধারিত হয় নি।
◆ স্থান: কলেজ ক্যাম্পাস।
◆ সময়: সকাল ০৮:০০ ঘটিকা থেকে দুপুর ১৩:৩০ ঘটিকা এবং বিকাল ১৪:০০ থেকে সন্ধ্যা ১৮:৩০ ঘটিকা।
.
*** পুনঃনিরীক্ষা আবেদনকারীরা আবশ্যই কলেজ কাউন্টারে গিয়ে পুনঃনিরীক্ষার বিষয়ে অবহিত করবে।
.
.
■■ ভর্তি পরীক্ষা:
◆ ধাপ: ২ টি। যথা-
১) SSC তে প্রাপ্ত সর্বমোট নম্বর, বয়স, বাসস্থান এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় প্রাথমিক বাছাই।
২) ভর্তি পরীক্ষা।
◆ ধরণ: লিখিত (নৈর্ব্যক্তিক- ২৫ টি) এবং মৌখিক (১০ টি)।
◆ পূর্ণমান: ১০০ (লিখিত: ৫০, মৌখিক: ৫০)।
◆ সময়: ৩০ মিনিট (লিখিত: ২০ মিনিট, মৌখিক: ১০ মিনিট)।
◆ সিলেবাস: ধর্ম বাদে SSC তে পঠিত সকল বিষয়।
◆ তারিখ এবং সময়সূচী: নির্ধারিত হয় নি।
.
●●● মৌখিক পরীক্ষায় খুব প্রচলিত কিছু প্রশ্ন:
◆ কেন নটর ডেম কলেজে অধ্যয়ন করতে চাও?
◆ তোমার স্কুলের নাম কি ছিল?
◆ তোমাকে নটর ডেম কলেজে পড়ার জন্য কে উৎসাহিত করেছে?
◆ চান্স পেলে ভর্তির পর কোথায় থাকবে?
◆ তুমি কি মনে কর যে তুমি আমাদের কলেজে পড়া করার যোগ্য?
◆ তোমার কি ধূমপানের অভ্যাস আছে?
◆ নটর ডেম কলেজের ইউনিফর্মটি তোমার কেমন লাগে?
◆ তোমার পরিবারের বাৎসরিক আয় কত? এবং আয়ের উৎস কি?
◆ তোমার পরিবার কি এই কলেজে পড়ার খরচ যোগাতে সক্ষম?
.
.
■■ ফলাফল প্রকাশ:
◆ প্রাথমিক বাছাইয়ের ফলাফল: আবেদন শেষ হবার তিন দিনের মধ্যে।
◆ চূড়ান্ত বাছাইয়ের ফলাফল: ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবার তিন দিনের মধ্যে।
.
.
■■ ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে আসন ধারণ:
◆ SCIENCE (বাংলা মাধ্যম): ১৭১৮ টি আসন।
◆ SCIENCE (English Medium): ২৮২ টি আসন।
◆ BUSINESS STUDIES: ৭০০ টি আসন।
◆ HUMANITIES: ৪০০ টি আসন।
◆◆ মোট ৩,১০০ টি আসন।
.
*** মোট আসনের ৪৫% গ্রাম, মফশ্বল অঞ্চল এবং পশ্চাৎপদ ছাত্রদের জন্য সংরক্ষিত। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৫%, সংখ্যালঘু কোটা ৩%, অন্যান্য কোটা ২%।
.
.
■■ ভর্তি ফি (সম্ভাব্য):
◆ SCIENCE (বাংলা মাধ্যম): প্রায় ৭,৫০০৳।
◆ SCIENCE (English Medium): প্রায় ৮,৫০০৳।
◆ BUSINESS STUDIES: প্রায় ৬,৫০০৳।
◆ HUMANITIES: প্রায় ৫,৫০০৳।
.
.
■■ মাসিক টিউশন ফি (সম্ভাব্য):
◆ SCIENCE (বাংলা মাধ্যম): প্রায় ৭০০৳।
◆ SCIENCE (English Medium): প্রায় ৮০০৳।
◆ BUSINESS STUDIES: প্রায় ৬০০৳।
◆ HUMANITIES: প্রায় ৫০০৳।

যোগাযোগ:
জি.পি.ও. বক্স নং- ৫,
৪-৫, ইনার সার্কুলার রোড,
আরামবাগ,
মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা,
ঢাকা- ১০০০।
ফোন: +88-02-7192325, +88-02-7192598
ইমেইল: info@notredamecollege.com
ওয়েভ সাইট: http://www.notredamecollege-dhaka.com

ইউনিয়নের নাম     চেয়ারম্যানগণের নামের তালিকা     মোবাইল


কালীগঞ্জ        মোঃ লুৎফুর রহমান     ০১৭১৩০৩৪৩১১
তুমুলিয়া         মোঃ নূরুল ইসলাম     ০১৭২০৬০৮৬৫৭
নাগরী            মোঃ সিরাজ মিয়া     ০১৭২৬৯১৫২৪৪
বক্তারপুর        মোঃ আতিকুর রহমান আকন্দ     ০১৭১৮১৬৫৮০৪
জাংগালিয়া       আকম মোফাজ্জল হোসেন     ০১৭১৫২৫৩০৯৪
জামালপুর        মোঃ হারুণ রশিদ দেওয়ান     ০১৭১৫০০৬৯১২
বাহদুরশাদি       শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ     ০১৭১১১২৯২৭৬
মোক্তারপুর         শরিফুল ইসলাম সরকার     ০১৭১২৭০৩১০৮









Online Bangla Typing (বাংলা লিখুন)



কম্পিউটারে বাংলা লেখার অনেক গুলো পদ্ধতি আছে। সাধারণত বাংলা লেখার জন্য কম্পিইটারে কিছু সফ্টওয়ার যেমন অভ্র, বিজয় ইত্যাদি ইনস্টল করতে হয়।এসব সফ্টওয়ারে বিভিন্ন লেআউট যেমন Avro Easy, Bornona, Probhat, Bengali Inscript, Phonetic, Click n Type layout ইত্যাদি ব্যবহার করে সহজেই বাংলা টাইপ করা যায়। সফ্টওয়ার ইনস্টল করা ছাড়াও ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বাংলা লেখা সম্ভব। English-bangla.com ওয়েবসাইটেও সফ্টওয়ার ইনস্টল ছাড়া বাংলা লেখা যায়।
তবে বাংলা টাইপ করার সবচেয়ে সহজ দুটি পদ্ধতি হলো Phonetic (English-bangla)and Click n Type লেআউট ব্যবহার করা।
English-bangla.com এ দুটো পদ্ধতিতে সহজেই বাংলা টাইপ করা যায়।এ দুটো পদ্ধতিতে বাংলা লেখার নিয়ম এখানে দেখানো হলো।


Phonetic (ফনেটিক):
Phonetic হলো উচ্চারণের সাথে সঙ্গতি রেখে বানার পদ্ধতি। যেমন- ‘আমি’ শব্দটি ইংরেজি অক্ষরে ‘Ami’ লিখতে হয়। এভাবেই phonetic পদ্ধতিতে বাংলা লিখতে হয়। Phonetic পদ্ধতিতে বাংলা টাইপ করার জন্য আলাদা ভাবে কীবোর্ড মুখস্থ করার প্রয়োজন নেই। ২-৫ মিনিট চর্চা করে যে কেউ বাংলা লিখতে পারবে।
যা যা মনে রাখতে হবে:
১. ইংরেজি ছোট অক্ষর এবং বড় অক্ষর (Small Letter and Capital Letter) এর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
যেমন: small ‘y’ চাপলে ‘য়’ হয় আর capital ‘Y’ চাপলে যফলা হয়।
২. যুক্ত বর্ণ লেখার নিয়ম জানতে হবে। সাধারণত হসন্ত (্) যোগে দুটো বা তার বেশি বর্ণকে যুক্ত করতে হয়। Phonetic নিয়মে প্লাস (+) দিয়ে হসন্ত হয়।
যেমন: 
k+l= ক্ল;    s+t= স্ট;    S+N= ষ্ণ;    T+T+b=ত্ত্ব;    Ng+k=ঙ্ক;    Ng+g=ঙ্গ ;   j+NG=জ্ঞ;    NG+c=ঞ্চ;    NG+j=ঞ্জ;    NG+C=ঞ্ছ;    N+d=ণ্ড ইত্যাদি।
উদাহরণ: 
- Amra baNgali : আমরা বাঙালি ।
- bangla: বাংলা
- Ingreji- ইংরেজি
- Dh+bniTT+T+b : ধ্বনিতত্ত্ব
- ras+t+r bYbs+Tha : রাস্ট্র ব্যবস্থা
নিম্নে বাংলা অক্ষরের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ইংরেজি অক্ষর গুলো দেওয়া আছে।

  • k

  • kh, K

  • g

  • gh,G

  • Ng

  • c

  • ch, C

  • j

  • jh, J

  • NG

  • t

  • th

  • d

  • dh

  • N

  • T

  • Th

  • D

  • Dh

  • n
  • প 
    p

  • ph, f

  • b

  • bh, v

  • m

  • z

  • r

  • l

  • sh

  • S

  • s

  • h
  • ক্ষ
    k+S
  • ড়
    R
  • ঢ়
    Rh
  • য়
    y

  • tt

  • ng

  • H

  • NN

  • Ao

  • a, A

  • i

  • II

  • U

  • UU

  • WR

  • E

  • OI

  • O

  • OU
  • ব ফলা
    +b
  • য ফলা
    Y
  • র ফলা
    +r
  • রেফ
    r+
  • ঋ কার
    wr
  • ্(হসন্ত)
    HH, +
  • ডট(.)
    ..

  • e

  • oi

  • o

  • ou

  • u

  • uu
  • ি
    i

  • ii

  • a
  • ।(দাড়ি)
    .









SOME IMPORTANT CELL NUMBERS

INSTITUTE
NAME OF AUTHORITY
DESIGNATION
SITUATION
CELL
K.MOHILA COLLEGE
MR. NAJMUL HOSSAIN
PRINCIPLE
BESIDE KALIGONJ COTTONMILL
01816509110



COMILLA UN
PRO.KAZI FARUK
PROFESSOR
COMILLA
01733947331
MASTER KINDER GARTEN
MR.NAJMUL
PRINCIPLE

BAKTERPUR MARKET
01822872573
KHAIKARA H.S.
MR.AHSANULLAH
HEADMASTER
KHAIKARA
01734272586
HUMAN BUD TUTORIAL
MR.MOJIBUR RAHMAN
PRINCIPLE
DURBATI
01818836485
BARUA H.S.
MR.JALAL
HEAD MASTER
BARUA
01716972763
MOHANI KINDER GARTEN
MR.JALA
PRINCIPLE
MOHANI









মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

FUN

ENGLISH LEARNING

ISLAMIC CULTURE